One Bangladesh

ভারত- বাংলাদেশ বন্ধন চিরকাল অটুট থাকবে

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগে ভারতে কিছুক্ষণের যাত্রাবিরতি নিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওই সময় তিনি জানতে চান, ভারতীয় সেনাবাহিনীর কবে বাংলাদেশ ত্যাগ করবে? ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কথা দিয়েছিলেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে সব সৈন্য ফিরিয়ে আনা হবে। এরপর স্বাধীনতার তিন মাসের মধ্যে ১৯৭২ সালের ১২ মার্চে ভারতীয় সৈন্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ১৯৭২ সালের এই দিনে তাদের বিদায়ী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। একইসঙ্গে ১৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দীতে ইন্দিরা গান্ধীর জনসভা সফল করতে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছিল।বিদায়ী কুচকাওয়াজ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ ছিল ভারতীয় সেনাদের বিদায়ী কুচকাওয়াজ। প্রায় তিন মাস বাংলাদেশে কাটিয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার দিন ছিল এটি। সেসময়ে পত্রিকাগুলোর সংবাদে বলা হয়, এই দেশ ছিল তাদের কাছে এক অচিনপুরী। কালের পরিক্রমায় বাংলায় এসে আমাদের সঙ্গে মৈত্রী হল এবং একসঙ্গে অস্ত্র ধরে শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধও হলো। উভয়ের সামনে একই পথ কিন্তু লক্ষ্য ছিল ভিন্ন। বাংলাদেশ চেয়েছিল দেশকে শত্রুমুক্ত করতে আর ওরা চেয়েছিল মানবতার পতাকাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে। জয় বাংলা, জয় হিন্দ স্লোগানে সোচ্চার হয়ে বীর যোদ্ধারা জলপাই রঙের পোশাক পরে আসে। ওদের মুখের বুলির সঙ্গে আমাদের পরিচয় ছিল না। বাঙালি থেকে পাঞ্জাবি যুবক এসে দাঁড়িয়েছিল আমাদের পাশে।সেসময়ে পত্রিকাগুলোর সংবাদে প্রকাশ করা হয় উচ্ছ্বাস। তাতে বলা হয়, পৃথিবীর ইতিহাসে অন্য দেশের সেনাবাহিনীকে বরণ করার যে কয়টি নজির স্থাপিত হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ মিত্রবাহিনীর অভ্যুদয় অতুলনীয়, ইতিহাসে অনন্য। https://www.facebook.com/watch/?v=849029785646680#বঙ্গবন্ধু#ইন্দিরাগান্ধী#ভারতীয়মিত্রবাহিনী#বিদায়ীকুচকাওয়াজ#মুক্তিযুদ্ধ#শেখমুজিবুররহমান#ভারতবাংলাদেশমৈত্রী#মিত্রবাহিনী